‘গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ভিসির পদত্যাগ দাবির আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য একটি বিশেষ মহল চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্দোলনটিকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অশালীন ও বাজে মন্তব্য করে শিক্ষার্থীদের নামে দায় চাপানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে।’
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১ টায় ক্যাম্পাসের জয় বাংলা চত্বরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র হাসান মাহমুদ।
তিনি বলেন, উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, নৈতিক স্থলন, ভর্তি ও নিয়োগ বাণিজ্য এবং স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের অনশন এবং অবস্থান কর্মসূচির অষ্টম দিন চলছে আজ। এ আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে একটি বিশেষ মহল।
তিনি বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত কমিটি সঠিক প্রতিবেদন দেবেন বলে তারা আশা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীরা জানান, একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছাড়া তারা আন্দোলন বন্ধ করবেন না। পরে বেলা ১২ টায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে ভিসির নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ জানান।








