কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে অক্টোবর মাসে ১০ কোটি ৮২ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় হয়েছে। দেশের সংকট মোকাবিলায় পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধির কারণে অন্যান্য পণ্য কম আমদানি করায় রাজস্ব আদায় তেমন হয়নি বলেও জানান সংশ্লিষ্টরা। তবে এখনও এই বন্দরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক মাসিক রাজস্বের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়নি।
স্থল বন্দরের শুল্ক বিভাগ সূত্র জানায়, ২০১৯-২০ অর্থ বছরের অক্টোবর মাসে ৫০২টি বিল অব এন্ট্রির মাধ্যমে ১০ কোটি ২৮ লাখ ৪৪ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। মিয়ানমার থেকে পণ্য আমদানি হয়েছে ১২৭ কোটি ৯৩ লাখ ২৬ হাজার টাকার। বিশেষ করে ২০ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।
অপরদিকে ৬৫টি বিল অব এক্সপোর্টের মাধ্যমে ২ কোটি ১২ লাখ ৩৪ হাজার টাকার পণ্য মিয়ানমারে রফতানি করা হয়েছে।
এছাড়া শাহপরীরদ্বীপ করিডোরে মিয়ানমার থেকে ৩৯০১টি গরু, ৩১৫৩টি মহিষ ও ১২টি ছাগল আমদানি করে ৩৫ লাখ ২৯ হাজার ৪শ’ টাকা রাজস্ব আদায় হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, সীমান্ত বাণিজ্য ব্যবসায় সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করছে না। ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যা পোহাতে হচ্ছে। এখনও বন্দরে পর্যাপ্ত শ্রমিক ও অবকাঠামোর অভাব রয়েছে। সীমান্ত বাণিজ্যকে গতিশীল করতে দুদেশের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থার দাবি করেছেন তারা।
টেকনাফ স্থলবন্দর শুল্ক কর্মকর্তা মো. আবছার উদ্দিন বলেন, ‘অক্টোবর মাসে পেঁয়াজ আমদানি বেড়েছে, যার ফলে অন্যান্য পণ্য কম এসেছে। ফলে মাসিক রাজস্ব আদায় একটু কম হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের স্বার্থে পেঁয়াজ আমদানি করছে ব্যবসায়ীরা। তবে এর পাশাপাশি অন্যান্য পণ্যের আমদানি বাড়াতে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।’







