কমিশন গঠন করে জেলহত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবি নাসিমের

রাবি প্রতিনিধি
০৫ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৩১আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ১৯:৩৪




 সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জেলহত্যায় জড়িতদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত সরকারের সময় জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায়ে বলা হয়েছে একজন ব্যক্তির চার জনকে হত্যা করেছে। কিন্তু একজনের পক্ষে চার জনকে হত্যা করা সম্ভব নয়। এরসঙ্গে বিশাল একটি চক্র জড়িত। আইনমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো কমিশন গঠন করে যেন হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হয়।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর সন্তান নাসিম আরও বলেন, জাতীয় চার নেতা জীবন দিয়েছেন, তবু বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বেইমানি করেননি। তারা জীবন দিয়ে আমাদের কলঙ্কমুক্ত করেছেন। তারা জীবন উৎসর্গ না করলে, সারা বিশ্বের মানুষ বলতো বাঙালি এমন জাতি, যাদের একজনও ছিলেন না বঙ্গবন্ধুর জন্য জীবন দেওয়ার মতো।

 অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সন্তান ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক, আমরা জয় বাংলার সঙ্গে থাকবো। আমরা জাতীয় চার নেতার সন্তান, আমরা কখনো আর্দশের সঙ্গে বেইমানি করিনি।

অনুষ্ঠানে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক এম মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান, উপউপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা ও অধ্যাপক চৌধুরী মো. জাকারিয়া। অনুষ্ঠানে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজেরর সদস্য অধ্যাপক আব্দুল গনির সঞ্চালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের দুইশতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

/টিটি/
সম্পর্কিত
এবছরই সব স্কুলে ফিডিং চালুর পরিকল্পনা, পাঠ্যক্রমে খেলাধুলা: শিক্ষামন্ত্রী
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লেনদেন ব্যাংক ও এমএফএসের জন্য উন্মুক্ত করার সুপারিশ 
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের থেকে বেতন নিলে শাস্তির মুখে পড়বে প্রতিষ্ঠান
সর্বশেষ খবর
চীনের বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুলে প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশের তথ্যচিত্র ‘পায়ের ছাপ’
চীনের বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুলে প্রদর্শিত হবে বাংলাদেশের তথ্যচিত্র ‘পায়ের ছাপ’
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ