গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুবিপ্রবি) শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল নোমান (২১) এর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৭ নভেম্বর) রাত ১১ টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের চরসোনাকুড় এলাকার একটি মেসে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি এন্ড মলিকুলার বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তার বাড়ি চট্রগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোঃ রাজিউর রহমান জানান, ওই শিক্ষার্থীর মায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। মোবাইল ফোনে নয়টার দিকে ছেলের সঙ্গে কথা বলার কথা জানিয়েছেন তার মা। ওই ফোনকলে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষা নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। শিক্ষার্থীর বাবা বেঁচে নেই বলেও জানান প্রক্টর।
মেসে থাকা অন্য শিক্ষার্থীরা জানান, রাতে আব্দুল্লাহ আল নোমানের সাড়াশব্দ না পেয়ে তার রুমের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করা হয়। পরে তার দরজা ভেঙে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, চরসোনাকুড় এলাকার একতলা বাড়িটিতে ১৫ জন শিক্ষার্থী মেস করে থাকে। সেখানকার একটি কক্ষে একাই থাকতো আবদুল্লাহ আল নোমান। ওই কক্ষের ফ্যানের হুকে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহজাহান বলেন, প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।








