যশোর যুবলীগের প্রচার সম্পাদক জাহিদ হোসেন মিলন ওরফে টাক মিলনকে (৪৭) গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার রাতে দুবাই থেকে দেশের ফেরার পর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার যশোরে আনার পর আজ মঙ্গলবার সকালে তাকে যশোরে আদালতে নেওয়া হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, জাহিদ হোসেন মিলনের বিরুদ্ধে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি মামলায় তিনি গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। রবিবার রাতে তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে দুবাই থেকে দেশে ফিরছিলেন। ঢাকা বিমানবন্দরে তাক গ্রেফতারের পর সোমবার তাকে যশোর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়।
যশোর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘জাহিদ হোসেন মিলনের বিরুদ্ধে আদালতের তিনটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে নানা অপরাধের তথ্য পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ছিল। তিনি দুবাই থাকেন এবং প্রায়ই দেশে আসেন-পুলিশের কাছে এমন তথ্য ছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে অভিবাসন পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। দুবাই থেকে ফেরার পথে অভিবাসন পুলিশ টাক মিলনকে গ্রেফতার করে আমাদের অবহিত করে। ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যশোর এনে ডিবি পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।’
টাক মিলন যশোর শহরের পুরাতন কসবা মানিকতলা এলাকার রোস্তম আলীর ছেলে।








