ফতুল্লার আলীরটেক খেয়াঘাটলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে যাত্রীবাহী এক ট্রলার ডুবির ঘটনায় রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুর পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখনও নিখোঁজদের কারও সন্ধান মেলেনি। নারায়ণগঞ্জ সদর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক ও নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক দিনমণি শর্মা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে ফতুল্লার বক্তাবলীর রাধানগরে অনুষ্ঠিত ‘ল্যাংটা পীরের ওরস’ থেকে ফেরার পথে ঢাকাগামী এক লঞ্চের ধাক্কায় প্রায় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে ট্রলারটি বুড়িগঙ্গা নদীতে ডুবে যায়। স্বজনরা নিখোঁজদের ছবি নিয়ে ঘাটে ভিড় করছেন।
ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক জানান, ডুবে যাওয়া ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া গেছে। উদ্ধারকাজে নিয়োজিত আছেন ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীসহ ডুবুরিদের সাত সদস্যের একটি দল।
এই কর্মকর্তার হাতে আসা নিখোঁজ পাঁচজনের তালিকায় আছেন মুন্সীগঞ্জ জেলার মুক্তারপুরের আব্দুল কাদির(৫০), সিদ্ধিরগঞ্জের সেলিম খান(৪৫) ও তার দুই সন্তান ঈমান খান(১৫) ও মৌসুমী আকতার(১৬) এবং সেলিম মিয়া। সেলিম মিয়া নিখোঁজ কিশোর কিশোরীর গানের শিক্ষক।
/এইচকে/টিএন/







