শেরপুরে দুই চিকিৎসক ও এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ করোনা আরও ছয়জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো পনেরো জনে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন ডা. মোবারক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
নতুন আক্রান্তরা হলেন– নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুই চিকিৎসক, ঝিনাইগাতী থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা, জেলা হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের অফিস সহায়ক এবং নারায়ণগঞ্জ ফেরত সদর উপজেলার ধলা ইউনিয়নের এক যুবক।
নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান জানান, এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেসহ আশপাশের বাজার্দী ও বাদাগৈড় এলাকার ৩০টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।
ডা. মোবারক হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) শেরপুর থেকে করোনা সন্দেহে ৩৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের পিসিআর ল্যাবে পাঠানো হয়। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সেখান থেকে এই ছয়জনের পজিটিভ রিপোর্ট আসে। আক্রান্ত পনেরো জনের মধ্যে আট জনই স্বাস্থ্য বিভাগের। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন দুই জন।
সিভিল সার্জন ডা. একেএম আনওয়ারুর রউফ বলেন, নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আক্রান্ত দুজনই তরুণ চিকিৎসক। সদ্য বিসিএস শেষ করে তারা একসঙ্গে নকলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগ দেন। আক্রান্ত সবাইকে স্থানীয় আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সামাজিক সংস্পর্শের কারণে তারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ ঘটনায় নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। ঝিনাইগাতি থানায় বিশেষ ব্যবস্থা ও আক্রান্তদের সংস্পর্শে থাকা অর্ধশতাধিক করোনা সন্দেহভাজনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনে পরীক্ষার জন্য তাদেরও নমুনা সংগ্রহ করা হবে।







