গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে যাত্রা শুরু করবে। ইতোমধ্যে ডেডিকেটেড এই হাসপাতাল স্থাপনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
হাসপাতালের পরিচালক খলিলুর রহমান জানান, ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে এখানে ৪টি ভেন্টিলেটর ছাড়াও ১০টি ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) শয্যা রয়েছে। করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য একশ শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে।
গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক খলিলুর রহমান জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক, নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের আবাসন ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা এ হাসপাতালের ভেতরেই করা হয়েছে। যাতে তাদের এ হাসপাতাল ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে না হয়।
তিনি আরও জানান, এখানে করোনাভাইরাস সংক্রমণ (কোভিড-১৯) পজিটিভ রোগীদের ভর্তি করা হবে। তাদের ফলো-আপ চিকিৎসার জন্য নমুনা পরীক্ষা করা হবে ঢাকার আইইডিসিআরে। আইসোলেশনে থেকেও টেলিকমিউনিকেশনের মাধ্যমে বাসায় থেকে এ হাসপাতালে কর্মরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কাছ থেকে তারাই পরামর্শ নিতে পারবেন যাদের লক্ষণ প্রকাশ পায়নি, কিন্তু করোনাভাইরাস পজিটিভ।
তিনি আরও জানান, এখানে শ্বাসকষ্ট, কাশি, জ্বর, ব্যথার মতো (শুধুমাত্র কোভিড-১৯) রোগীদের সিমটোমিক চিকিৎসা দেওয়া হবে। ভাইরাসের লক্ষণ নিয়ে আসা রোগীদের নমুনা পরীক্ষা সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে অন্যত্র করা হবে। এখানে নমুনা পরীক্ষা করা হবে না। ইতোপূর্বে এ হাসপাতালে যেসব সাধারণ রোগী ভর্তি হয়েছিলেন তাদের মধ্যে কিছু রোগীকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে এবং গুরুতর অসুস্থদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এখানে আউটডোর তথা জরুরি বিভাগে এখন আর সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে না।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিক্রমে ঢাকার তিনটি হাসপাতালের সঙ্গে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালকেও কোভিড-১৯ ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়।








