যশোরে চা-বিড়ির দাম চাওয়ায় সাগর ওরফে ষষ্টে দাস (৪২) নামে এক দোকানিকে মারপিট করে তার ডান পায়ের হাড় ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের গ্রামপুলিশ সদস্য ভোলা দাস ও তরিকুল ইসলাম এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ষষ্টে দাস।
তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সেলুন বন্ধ থাকায় ঘরের পাশে একটি চায়ের দোকান দিয়েছিলাম। দোকানের বেচাকেনা থেকেই চলতো সংসারের খরচ। গ্রামপুলিশ ভোলা ও তরিকুল প্রায় সময় দোকানে চা-সিগারেট পান করে। তবে টাকা দেয় না, টাকা চাইলে মারতে আসতো ও গালাগালি করতো। এরমধ্যে, গত ১০ এপ্রিল ভোলা দাস ও তরিকুল ইসলাম দোকানে চা ও সিগারেট পান করে। এসময় টাকা চাইলে দোকান বন্ধ করে দিতে বলেন ওই দুই চৌকিদার। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। ঘণ্টাখানেক পরে ভোলা আমাকে বাজারে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর ভোলা ও তরিকুল মিলে লাঠি দিয়ে বেদম পেটায়। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
ষষ্টে দাসের বাড়ি চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের রেল লাইনের ধারে। বাবার নাম চাঁদ দাস। মূলত তিনি চুল কাটার কাজ করেন।
এদিকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগের ডা. বজলুর রশিদ টুলুর উদ্ধৃতি দিয়ে একই বিভাগের সিনিয়র নার্স যোগমায়া বিশ্বাস বলেন, সাগর ওরফে ষষ্টের ডান পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। ১৭ এপ্রিল তিনি ভর্তি হন; ২৮ এপ্রিল তার অপারেশন করে পায়ের ভেতরে রড ঢুকানো হয়। ২ মে তার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে চুড়ামনকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মুন্না বলেন, ষষ্টের সঙ্গে দুই চৌকিদারের মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। ষষ্টে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি তার চিকিৎসার জন্য টাকাও দিয়েছি।
জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, খোঁজ নিয়ে দেখছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








