আজ ১৬ জুন, ২০০১ সালের এই দিনে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলার ঘটনায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামী লীগের ২০ নেতা-কর্মী নিহত হন। আহত হন তৎকালীন সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ অর্ধশত নেতাকর্মী। কিন্তু বোমা হামলার ঘটনার পর দীর্ঘ ১৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এই মামলার বিচারকাজ শেষ হয়নি। বিচার শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ ও আক্ষেপে সময় পার করছেন নিহতদের স্বজন ও ভুক্তভোগীরা।
জানা যায়, ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদের শেষ দিকে চাষাড়া আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। রাত পৌনে ৮টার দিকে তখনকার সংসদ সদস্য শামীম ওসমান যখন কর্মীদের সঙ্গে রাজনৈতিক আলোচনায় ব্যস্ত ছিলেন, সেসময় বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। সেই হামলায় ২০ জন নেতাকর্মী প্রাণ হারান। শামীম ওসমানসহ আহত হন কমপক্ষে শতাধিক ব্যক্তি। চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন চন্দন শীল ও রতন দাস। এই ঘটনার মামলায় সাত বার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত মামলার বিচার কাজ শেষ হয়নি।
এই ব্যাপারে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের দুটি মামলায় ৩২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য সম্পন্ন হয়েছে। আরও কিছু সাক্ষী রয়েছেন। করোনার কারণে কোর্ট বন্ধ থাকায় মামলার কার্যক্রম কিছুটা পিছিয়ে পড়েছে। কোর্ট শুরু হলে বাকিদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। নিয়মিত কোর্ট চালু হলে আগামী তিন মাসের মধ্যে মামলার সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে বিচার কাজ সম্পন্ন করা যাবে বলে তিনি আশা করেন।
এদিকে এই দিনটি স্মরণ করে আজ সকালে নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা চাষাড়া স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।








