বিমান উড্ডয়নের ঝুঁকি কমাতে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরের পক্ষ থেকে ঘুড়ি ওড়ানো বন্ধে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। গত তিন দিন (২১ থেকে ২৩ জুন) ধরে যেসব এলাকায় বিমান উড্ডয়ন করে, সেসব এলাকায় ঘুড়ি ওড়াতে মানা করছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গত ২৪ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের কারণে রাজশাহী-ঢাকা রুটে যাত্রীবাহী বিমান যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। তবে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরের প্রত্যেকদিন দুই-তিনটি প্রশিক্ষণ বিমান আকাশে উড্ডয়ন করে। কিন্তু সম্প্রতি রাজশাহীতে ঘুড়ি ওড়ানোর সংখ্যা বেড়ে গেছে। শুধু ঘুড়ি নয়, ঘুড়ির চেয়েও বড় চঙ তৈরি করে অনেকে ওড়াচ্ছেন। এতে করে যেকোনও সময় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য তিন দিন ধরে মাইকিং করা হচ্ছে। যাতে করে দুঘর্টনা এড়ানো যায়।
এ বিষয়ে নগরীর শাহমুখদুম বিমান বন্দরের ম্যানেজার সেতাফুর রহমান জানান, আমাদের এখান থেকে গড়ে প্রতি দিন তিনটি প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন করছে। তাই আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী যেসব এলাকায় বিমান উড্ডয়ন কিংবা ওঠা-নামা করে সেসব এলাকায় ঘুড়ি ওড়াতে নিষেধ করে মাইকিং করা হচ্ছে। শুধু প্রশিক্ষণ বিমান নয়, ঢাকা থেকে রাজশাহীতে হঠাৎ করে যাত্রীবাহী বিমান আসলে যেন ঘুড়ি ওড়ানোর কারণে সমস্যা না হয় সে জন্যও ঘুড়ি ওড়াতে নিষেধ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে বিমান বন্দর থেকে দুটি ফ্লাইং অ্যাকাডেমি তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে। কিন্তু আকাশজুড়ে ওড়ানো ঘুড়ির কারণে অনেকটা ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। আমরা লক্ষ্য করেছি কিছু ঘুড়ি অনেকটা ওপরে ফ্লাইং রুটে উড়ছে এমনটা চলতে থাকলে ঘুড়ির ও সুতার কারণে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা থাকছে।
এই প্রসঙ্গে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ কমিশনার (সদর) গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, ঘুড়ি ওড়ানো বন্ধে বিমানবন্দর ম্যানেজারকে মাইকিং করতে বলা হয়েছে। এরপরও যদি কেউ নির্দেশনা না মানে, তাহলে ঘুড়ি ওড়ানো ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হবে।








