করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নীলফামারীর তিন হাজার ৫০০ মসজিদে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদগাহ্ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে ঈদের জামাত মসজিদে আদায়ের সিদ্ধান্ত হয়। জেলা শহরের বড় বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মুক্তি হাবিবুল্যা জানান, প্রয়োজন অনুপাতে প্রতিটি মসজিদে তিন ধাপে নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
এরমধ্যে বড় মসজিদ, বাজার মসজিদ ও কোর্ট মসজিদসহ সব মসজিদে ঈদের প্রথম জামাত শনিবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টায়, দ্বিতীয় জামাত ৮টা ১৫ মিনিটে ও তৃতীয় জামাত সকাল ৯ টায় অনুষ্ঠিত হবে। এবার জেলায় তিন হাজার ৫০০ মসজিদে একই নিয়মে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
অতিরিক্তি জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাহারুল হক জানান, জামাতের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো হবে না। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে, নামাজের পূর্বে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। মুসল্লিদের নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসার জন্য বলা হয়েছে।
এ ছাড়াও ওজুর স্থানে সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মসজিদে প্রবেশ দরজায় হাত ধোয়ার জন্য সাবান পানির ব্যবস্থা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটি বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। নামাজ শেষে কোলাকুলি ও হ্যান্ডসেক নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মোখলেছুর রহমান জানান, ঈদ উপলক্ষে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদের দিনসহ পরের তিন দিন পরিবেশ মনিটরিং করবে জেলা পুলিশ। যান চলাচল, মোটরসাইকেল ও গণপরিবহন বন্ধ রাখতে আনসার, পুলিশ, সেনাবাহিনী ও র্যাব কঠোর নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও প্রত্যেক মসজিদে আইনশৃঙ্খলা বাস্তবায়নের জন্য চার জন করে আনসার নিয়োগ করা হবে।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক জানান, প্রত্যেক মসজিদের মুসল্লিদের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে মসজিদ কমিটিকে সহায়তা করতে হবে। পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ শুধুমাত্র খুতবা শেষে নামাজ আদায় করতে হবে। এটি মসজিদের ইমাম ও সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটিকে বাস্তবায়ন করতে হবে।







