পার্বত্য চুক্তি পুনর্মূল্যায়নের দাবি নাগরিক পরিষদের

জিয়াউল হক, রাঙামাটি
০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৭:১২আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১৮:০৬

রাঙামাটিতে পার্বত্য চুক্তি পুনর্মূল্যায়নের দাবিতে নাগরিক পরিষদের সংবাদ সম্মেলন।

সংবিধানের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সাংঘর্ষিক ও বৈষম্যমূলক ধারাগুলো সংশোধন করে চুক্তি পুনঃমূল্যায়নসহ আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমার পদত্যাগ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও প্রত্যাহারকৃত নিরাপত্তাবাহিনীর ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) সকালে রাঙামাটি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা। আগামীকাল ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ রাঙামাটি জেলা সভাপতি মো. শাব্বির আহম্মেদ। এতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব আলমগীর কবির, রাঙামাটি জেলা সাধারণ সম্পাদক মো. সোলায়মান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ অন্য নেতারা।

লিখিত বক্তব্যে মো. শাব্বির আহম্মেদ বলেন, একদিকে চুক্তির পর পার্বত্য অঞ্চলে একে একে কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন জেএসএস (সন্তু), জেএসএস (এমএন লারমা), ইউপিডিএফ (প্রসিত) ও ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) পার্বত্য অঞ্চলে চাঁদাবাজিসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। তাদের কাছে পাহাড়ি বাঙালিরা জিম্মি। অশান্তি সৃষ্টির মূলে রয়েছে চারটি সশস্ত্র গ্রুপ। এ চারটি গ্রুপের মধ্যে

যতদিন সশস্ত্র সংঘর্ষের অবসান না হবে ততদিন পাহাড়ে শান্তি আসবে না। তাই তাদের নির্মূল করা জরুরি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ্য বলেন, এই চারটি সশস্ত্র গ্রুপ পার্বত্য চট্টগ্রামকে চাঁদাবাজির অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে। সেখানে চাঁদাবাজি একটা সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। ডিম, মুরগি, ফল, সব্জি বিক্রি থেকে শুরু করে সব ধরনের কৃষিকাজ, ব্যবসা, অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, সব ধরনের পেশার ওপর নির্ধারিত হারে চাঁদা ধার্য করে বছরে প্রায় ৪শ’কোটি টাকা চাঁদা আদায় করে থাকে এই চারটি সংগঠন। চাঁদা না দিলে তারা হত্যা, গুম, অপহরণ, নির্যাতন চালায় বলেও নাগরিক পরিষদের পক্ষে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে আঞ্চলিক পরিষদ থেকে সন্তু লারমার পদত্যাগ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও প্রত্যাহারকৃত নিরাপত্তাবাহিনীর ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি জানানো হয়।

/টিএন/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
কথা বলার সময় স্মার্টফোন দ্রুত গরম হয়ে যায়? কারণ ও প্রতীকারের উপায়
কথা বলার সময় স্মার্টফোন দ্রুত গরম হয়ে যায়? কারণ ও প্রতীকারের উপায়
ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা: মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাস
ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা: মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাস
কিছু টিপস মেনে চললেই গরমে ত্বক সুন্দর রাখা যায়
কিছু টিপস মেনে চললেই গরমে ত্বক সুন্দর রাখা যায়
সত্যি কি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জোরপূর্বক কাজ করানো হয়
সত্যি কি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জোরপূর্বক কাজ করানো হয়
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের