বগুড়ার শিবগঞ্জে এক জেএসসি পরীক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করার জের ধরে মঙ্গলবার দুপুরে বেতগাড়ি ও চন্দনপুর গ্রামবাসীদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দু’পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, আটমুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আফজাল হোসেনের নাতনীকে জেএসসি পরীক্ষা চলাকালে বেতগাড়ি গ্রামের কয়েকজন যুবক উত্ত্যক্ত করে। পরে স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয়ে যায়। গত রবিবার রাতে বেতগাড়ি গ্রামের লোকজন পার্শ্ববর্তী চন্দনপুর গ্রামের পাশে মালোপাড়ায় ইসলামী জলসা শুনতে যান। চন্দনপুর গ্রামের লোকজন তাদের মারপিট করেন। সোমবার সকালেও তারা বেতগাড়ি গ্রামের জনৈক বিটুকে মারপিট করে। এ নিয়ে দুই গ্রামের জনগণের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়।
এর জের ধরে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চন্দনপুর গ্রামের আফজাল হোসেনের লোকজন এবং বেতগাড়ি গ্রামের রতনের লোকজন বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। আধা ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষে রতন গ্রুপের ফরিদ, স্বপন এবং সামাদসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর ফরিদকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য দু’জন স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শিবগঞ্জ থানার ওসি আহসান হাবিব জানান, ছাত্রী উত্ত্যক্ত নয়; মারপিটের ঘটনায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সামান্য হাতাহাতি হয়েছে। এতে ২/৩ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
/আরএ/








