বরিশালের মুলাদীতে শিশু শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগে মাওলানা মো. আল-আমিন মিয়া নামে এক মাদ্রাসা সুপারকে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে তাকে চীফ জুডিশিয়াল আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়ন থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
নির্যাতনের শিকার ওই শিক্ষার্থীর সাম মাহিম হাওলাদার (৭)। সে মুলাদী উপজেলার চরসেলিমপুর ফজলুল উলুম সেরাতুল কোরআন মাদ্রাসার ১ম শ্রেণির ছাত্র এবং গৌরনদী উপজেলার সাকোকাঠী গ্রামের নূরে আলম হাওলাদারের ছেলে।
শিশুটির পিতা নূরে আলম হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, মাদ্রাসায় গোসল করে না আসায় গত ২৩ ডিসেম্বর তার ছেলেকে মুলাদী উপজেলার চরসেলিমপুর ফজলুল উলুম সেরাতুল কোরআন মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মো. আল-আমিন মিয়া অমানুষিক নির্যাতনের পর পুকুরের পানিতে নামিয়ে রাখে। পরবর্তীতে জ্বলন্ত চুলায় আগুনের স্যাঁকা দেওয়ায় মাহিমের বুক ও পেটের অংশ বিশেষ পুড়ে যায়। গুরুতর আহত মাহিমকে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে সোমবার রাতে মুলাদী থানায় মামলা দায়ের করেন।
মুলাদী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মিজানুর রহমান বলেন, ওইদিন রাতেই অভিযান চালিয়ে সুপার মাওলানা মো. আল-আমিন মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে বরিশাল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করার পর বিচারক জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শেবাচিম হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সিনিয়র কনসালটেন্ট আল আজাদ জানান, শিশু মাহিম আশঙ্কামুক্ত হলেও তার পুরোপুরি সুস্থ্য হতে দু’বছরের মতো সময় লাগবে।
/আরএ/








