দুই বছর বন্ধ থাকার পর জানুয়ারিতে রাজধানীর উপকণ্ঠে গাজীপুরের টঙ্গীতে তুরাগ নদের তীরে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্বের ৫০ থেকে ৬০টি দেশের মুসলমানদের সমাবেশ ঘটে এই ইজতেমায়।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আনিছুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তাবলিগের মুরুব্বিরা জানান, করোনা মহামারির কারণে দুই বছর বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০২৩ সালের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব ১৩, ১৪ ও ১৫ জানুয়ারি ভারতের মাওলানা সাদ অনুসারীদের অংশগ্রহণে এবং দ্বিতীয় পর্ব ২০, ২১ ও ২২ জানুয়ারি মাওলানা যোবায়ের অনুসারীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হবে।
মাওলানা সাদ অনুসারী মাওলানা হারুন অর রশিদ বলেন, ‘এখন করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। তাই আগামী বছরের জানুয়ারিতে প্রথম পর্ব এবং চার দিন বিরতি দিয়ে দ্বিতীয় পর্বে ইজতেমা আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
মাওলানা যোবায়ের অনুসারী মাওলানা মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘ইতোমধ্যে ইজতেমার জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করছি, আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের ইচ্ছায় এবং সবার সহযোগিতায় আগামী বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে।’
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘বৃহস্পতিবার আন্তমন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি সভায় দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে বিশ্ব ইজতেমা সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা থাকবে।’
উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগে প্রথমে নিরাপত্তার কারণে দুই পর্বে ইজতেমা আয়োজন করা হচ্ছিল। বর্তমানে ইজতেমা আয়োজনে দুটি গ্রুপ তৈরি হওয়ায় আলাদাভাবে দুই পর্বে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।








