সিলেটের জৈন্তাপুরে স্কুলছাত্রীকে রাস্তাঘাটে উত্ত্যক্ত করার স্থানীয়রা জসিম উদ্দিন (২৮) নামের এক যুবককে আটক করে পুলিশের সোর্পদ করেন। উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বশিরুল ইসলাম মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। বুধবার (১৬ নভেম্বর) বিকালে জৈন্তাপুর থানা পুলিশ তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে।
জসিম উদ্দিন নিজপাট মাস্তিংহাটি গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে। পেশায় সে ট্রাকচালক এবং বিবাহিত।
পুলিশ জানায়, বুধবার (১৬ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলার এক ছাত্রী কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে উত্ত্যক্ত করে জসিম। প্রতিদিনই তাকে উত্ত্যক্ত করতো জসিম। বিষয়টি ছাত্রী তার বাড়িতে জানায়। প্রতিদিনের মতো বুধবার কোচিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফিরছিল মেয়েটি। এদিকে জসিম কোচিং সেন্টার এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নিয়ে ঘুরছিল। সে সময় ওই ছাত্রীকে দেখে উত্ত্যক্ত করার জন্য এগিয়ে আসে। সেখানে পূর্ব থেকে অবস্থান নেওয়া ইউপি সদস্যসহ স্থানীয় জনতাকে মেয়েটি ডাক দিলে তারা জসিমকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এরপর পুলিশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বশিরুল ইসলামের কাছে তাকে হাজির করলে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন বিচারক।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল বশিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘স্কুল পড়ুয়া ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার দায়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জসিম উদ্দিন নামে এক যুবককে তিন মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে জেল হাজতে পাঠানো হয়। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসায় এবং কোচিং সেন্টার এলাকায় কেউ এরকম কাজে জড়িত থাকলে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। নিয়মিত স্কুল-কলেজ এলাকায় টহল জোরদারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’









