শৈত্যপ্রবাহের পাশাপাশি ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে পঞ্চগড়। সূর্যের মুখ দেখা যাচ্ছে না। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সকাল ৯টায় ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এখানে সোমবার ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপামাত্রা রেকর্ড করা হয়। তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও সূর্য না ওঠায় শীতের দাপট কমেনি। রাস্তাঘাটে লোকজন ও যানবাহন চলাচল কম দেখা যাচ্ছে। শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
রাত থেকে ভোর পর্যন্ত একটানা কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ঝরছে কুয়াশা বৃষ্টি। সন্ধ্যার পর পরই হাটবাজার সড়ক-মহাসড়ক ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে মানুষ। যানবাহনগুলো চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। সকাল সকাল শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও খেটে খাওয়া মানুষ ঝুটছেন নিজ নিজ গন্তব্যে।
চাঁনপাড়া এলাকার দিনমজুর মোবারক আলী বলেন, ‘কাজের সন্ধানে সকালে এসেছি। শহরে লোকজন কম। এখন পর্যন্ত কাজ জোটেনি। কাজের আশায় অপেক্ষায় আছি।’
শহরের অটোরিকশা চালক নুরুজ্জামান বলেন, ‘সকালে এসেছি। রাস্তাঘাটে যাত্রী নেই। বসে আছি। ভাড়া না পেলে মহাজনকে কী দেবো আর আমি কী খাবো তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’
জেলার সদর উপজেলার গলেহা এলাকার আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়েকে নিয়ে স্কুলে যেতে হবে এজন্য সকাল সাড়ে ৬টায় উঠেছি। কুয়াশার কারণে মোটরসাইকেল চালাতে পারছি না। তবুও মেয়েকে নিয়ে আসতে হবে। ঠান্ডায় হাত পা অবশ হয়ে যাচ্ছে।’
জেলা প্রশাসন এ পর্যন্ত ৪০ হাজার শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে। জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম শীতার্ত মানুষের সহযোগিতায় সরকারের পাশাপাশি বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।









