রাঙামাটির প্রাচীন ও শ্রদ্ধা স্থান বনভান্তের রাজবন বৌদ্ধ বিহার। প্রায় প্রতিদিনই এই বিহারে দেখতে আসেন পুণ্যার্থীসহ দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটক। আর পর্যটন মৌসুম হওয়াতে পর্যটকদের পতচারণায় মুখর এ বিহার। ১৯৭৪ সালে শ্রীমৎ সাধনানন্দ মহাস্থবির (বনভান্তে) যখন রাঙামাটিতে এসেছিলেন তখন বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করা হয়।
বৌদ্ধ বিহারে রয়েছে উপাসনা বিহার, দেশনালয়, ভিক্ষু সংঘের থাকার ঘর, শ্রমনদের থাকার ঘর, বনভান্তের ধ্যানের গুহা ও লাইব্রেরিসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এই স্থাপনাগুলোর বিভিন্ন কারুকার্যও নজরে আসার মত।
বিহার ঘুরতে আসা আলো জামান সরদার বলেন, রাঙামাটির কাপ্তাই লেক ও এর চারপাশের পাহাড় মনকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও অন্য দেশে নিয়ে যায়। রাঙামাটির অন্যতম দর্শনীয় স্থান এটি। এখানে না আসলে এর সৌন্দর্য ব্যক্ত করা সম্ভব হবে না। এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের অন্যতম সৌন্দর্যের আঁধার হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
আরেক দর্শনার্থী নাদিয়া আক্তার বলেন, ‘রাজবন বিহার অনেক সুন্দর স্থান। আমি এখানে না আসলে বুঝতে পারতাম না এত সুন্দর স্থান বাংলাদেশে আছে। এর সৌন্দর্য সবার মন কাড়তে বাধ্য।’
রাজবন বিহারের কার্যনিবাহী পরিষদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অমিয় খীসা বলেন, ‘এই বিহার ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে পার্বত্যাঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় ও পবিত্র স্থান এটি। দেশ-বিদেশ থেকে অনেকেই এখানে ছুটে আসেন বিহারের সৌন্দর্য উপভোগ করতে।
তিনি আরও বলেন, ‘রাঙামাটিতে এটি অন্যতম পর্যটন স্থান। আমরা চিন্তা করছি পবিত্রতা রক্ষার পাশাপাশি নিয়ম-শৃঙ্খলা ঠিক রেখে স্থানটিকে পর্যটকদের কাছে আরও প্রিয় করে তোলা যায় কি না।’
/জেবি/এসটি/







