ক্যাম্পাসে ফিরে হল পরিবর্তন করলেন ইবির সেই ছাত্রী

ইবি প্রতিনিধি
০৪ মার্চ ২০২৩, ১২:২০আপডেট : ০৪ মার্চ ২০২৩, ১২:২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) নির্যাতনের শিকার সেই ছাত্রী পছন্দের হল বাছাই করতে ক্যাম্পাসে এসেছেন। শনিবার (৪ মার্চ) সকালে ক্যাম্পাসে ফিরে তিনি বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে থাকতে ইচ্ছে পোষণ করেন।

রাজনৈতিক পরিচয়ে র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় হাইকোর্টের উদ্বেগ

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পাবনা ও কুষ্টিয়া পুলিশের নিরাপত্তায় ক্যাম্পাসে ফেরেন ভুক্তভোগী এবং তার বাবা আতাউর রহমান।

এর আগে বুধবার (১ মার্চ) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চের আদেশে অস্থায়ীভাবে বহিষ্কার হন অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেত্রী সানজিদা চৌধুরী অন্তরাসহ পাঁচ জন। হাইকোর্ট থেকে আরও নির্দেশ দেওয়া হয়, ভুক্তভোগী যে হলে থাকতে চান তাকে সে হলের আবাসিকতা দেওয়ার।

এ ব্যাপারে প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহদাৎ হোসেন আজাদ বলেন, ‘পাবনা এবং কুষ্টিয়া পুলিশের মাধ্যমে তাকে (ভুক্তভোগী ছাত্রী) নিরাপত্তার সঙ্গে ক্যাম্পাসে নিয়ে আসা হয়েছে। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী প্রক্টর শাহাবুব আলম। ক্যাম্পাসে এসে সে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে থাকতে ইচ্ছা পোষণ করেন। আমরা ছাত্র উপদেষ্টার মাধ্যমে কথা বলেছি এবং তার পছন্দের হলে সিট বরাদ্দ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

উল্লেখ্য, গত ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলে দুই দফায় নবীন ওই ছাত্রীকে রাতভর নির্যাতন এবং বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের অভিযোগ ওঠে শাখা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি সানজিদা চৌধুরী অন্তরা, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের তাবাচ্ছুম ও মোয়াবিয়া, আইন বিভাগের ইসরাত জাহান মীম ও ফাইন আর্টস বিভাগের হালিমা খাতুন উর্মীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, হল প্রশাসন ও শাখা ছাত্রলীগ এবং হাইকোর্ট কর্তৃক পৃথক তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।

এদিকে, এ ঘটনায় হাইকোর্টে রিট হয়। ফলে হাইকোর্টের নির্দেশে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন। পরে এ ঘটনায় প্রতিটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে ফুলপরির নির্যাতনের ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের হল এবং শাখা ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

/এমএএ/
সম্পর্কিত
পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয় কেন অস্থির, কারা করছে আন্দোলন
‘হয় ফাঁসিতে ঝুলবো, না হয় আইন হাতে তুলে গুপ্ত শিবিরকে হত্যা করবো’
কর্মচারীর হাতে শিক্ষিকা খুন বিধি উপেক্ষা করে দেড় শতাধিক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ 
সর্বশেষ খবর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
গরমে শিশুর সুরক্ষা: সামান্য ভুলও ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
থানার ভেতরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে আহত, ৩ পুলিশ প্রত্যাহার
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম