২৯ জুন ঈদুল আজহা। তাই শুরু হয়েছে ঈদ যাত্রা। চাপ বেড়েছে সড়ক মহাসড়কে। তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নেই কোনও যানজট। একরকম ফাঁকা সড়কেই চলছে গাড়ি। পুরো সড়কে কিছুক্ষণ পরপরই চোখে পড়বে হাইওয়ে পুলিশের টহল দলের গাড়ি।
কুমিল্লার দাউদকান্দি ও চৌদ্দগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ও খবর নিয়ে জানা গেছে, ঢাকামুখী লেনে মালবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের আধিক্য। তবে চট্টগ্রামমুখী লেনে বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের আধিক্য। বাসচালক ও সহযোগীরা বলছেন বাজারগুলোতে ধীরে চলতে হয়। তবে যানজট লাগছে না।
গাজীপুর থেকে ঢাকা হয়ে কুমিল্লায় আসা ডুয়েটের ছাত্র শোয়েব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গাজীপুর থেকে কুমিল্লায় এসেছি চার ঘণ্টায়। রাস্তায় কোনও যানজট ছিল না। তবে ঢাকার ভেতরের যানজটের কারণে দেরি হয়েছে।’
কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামগামী একটি বাসের চালক মো. সুজন বলেন, ‘গত চার পাঁচ বছর যানজট নেই। এর আগে দিনের অর্ধেক চলে যেত যানজটে বসে থেকে। এখন কয়েক ট্রিপ নিয়ে যাওয়া-আসা করা যায়। মানুষের সময় বাঁচছে। আমাদের আয় বেড়েছে। আবার ভোগান্তিও কমেছে। সরকারকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।’
তিশা প্লাস পরিবহনের কুমিল্লা কাউন্টারের ম্যানেজার মনির হোসেন বলেন, ‘দেড় ঘণ্টায় এখন ঢাকা থেকে আমাদের গাড়ি কুমিল্লায় আসে। বেশি হলে দুই ঘণ্টা লাগে। আর চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা লাগে। ঈদ মৌসুমে আগে যানজট ছিল তীব্র। মানুষ বাসেই অসুস্থ হয়ে যেত। এখন আমাদের গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে না। যাত্রীরও অপেক্ষা করতে হয় না। সড়ক ফাঁকা।’
দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দাউদকান্দিতে যানজট নেই। টোলপ্লাজা এলাকায় আমাদের সতর্ক নজরদারি আছে। সেখানে আলাদা ফোর্স দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লার প্রবেশপথ ঢাকা, এখানে কোনও যানজট নেই। আমরা আশাবাদী কোনও যানজট হবে না।’









