আবারও কর্মব্যস্ত হয়ে উঠছেন পাহাড়ের বাসিন্দারা

রাঙামাটি প্রতিনিধি
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৩:২১আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৩:২৬

আতঙ্ক আর ভয় কাটিয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির জীবনযাত্রা। শহরে সহিংসতার ঘটনার পর মঙ্গলবার বনরুপা সাপ্তাহিক বাজারে পাহাড়ি-বাঙালি ক্রেতা-বিক্রেতার উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক দিনের মতো।

বাজারে পাহাড়ি বিক্রেতা যেমন ছিল, তেমনি ছিল বাঙালি বিক্রেতাও। কেনাকাটায় ব্যস্ত ছিল সব সম্প্রদায়ের মানুষ। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও কিছুটা আতঙ্ক রয়েছে কারও কারও মধ্যে। 

শহরের দোকানপাট, অফিস, আদালতে মানুষের উপস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সব রুটে যান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর চান না বলে জানান স্থানীয় মানুষরা।

ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির জীবনযাত্রা বনরুপা বাজারে সবজি বিক্রেতা মঙ্গল চাকমা বলেন, ‘গতকাল থেকে বনরুপা বাজারে লোকজন আসতে শুরু করেছে। গত কালের তুলনায় আজ পাহাড়ি-বাঙালি সবাই এসেছে। সবার মনে আতঙ্ক ছিল। সেটি আস্তে আস্তে কেটে যাচ্ছে। দিন যত যাবে স্বাভাবিক হয়ে যাবে সব।’

আরেক ব্যবসায়ী শোভা রানী চাকমা বলেন, ‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও মনের মধ্যে আতঙ্ক রয়েছে, কখন আবার কী হয়। আমরা চাই দ্রুত সবকিছু ঠিক হয়ে যাক।’

বনরুপায় বাজারে বাজার করতে আসা সেলিম উল্লাহ বলেন, ‘আমরা এই বাজারে সব সম্প্রদায়ের মানুষ আসি। হঠাৎ শুক্রবার কী হয়ে গেলো! এমন পরিস্থিতি আর কখনও না হোক, এটাই চাই। আমরা শান্তিপ্রিয় মানুষ, শান্তিতে পাহাড়ি-বাঙালি বসবাস করতে চাই। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক।’

জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে, সহিংসতার ঘটনায় দুটি সরকারি অফিস, ৮৯টি দোকান, ৪টি ব্যাংক, ৮৫টি ভাসমান দোকান, দুটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ৪৬টি পরিবহন, দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং একটি পুলিশ বক্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর্থিক হিসাবে আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ ৯ কোটি টাকা।

জেলা প্রশাসন থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

/এমএএ/
সম্পর্কিত
দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ
পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার নির্দেশ
নতুন ৩ মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর, জামিন মিলছে না
সর্বশেষ খবর
জয়পুরহাটে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারালেন ২ জন
জয়পুরহাটে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারালেন ২ জন
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, জানা যাবে রায়ের তারিখ
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, জানা যাবে রায়ের তারিখ
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের আড়ালে কী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম