খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) দুই শিক্ষক, ছয় কর্মকর্তা এবং একজন কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। কুয়েটের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান ভূঞা জানান, ২১ নভেম্বর কুয়েটের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার বলেন, ‘মেকানিক্যাল বিভাগের অধ্যাপক ড. সোবহান মিয়া এবং কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. পিন্টু চন্দ্র শীল এবং সাত জন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ নয় জনকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় আরও কয়েকজন শিক্ষকের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হলেও তাদের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।’
জানা গেছে, বরখাস্ত হওয়া অন্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা হলেন– ডেপুটি রেজিস্ট্রার নিমাই চন্দ্র মিস্ত্রি, ডেপুটি রেজিস্ট্রার দেবাশীষ মন্ডল, সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ ও তথ্য শাখা) মনোজ কুমার মজুমদার, সহকারী কম্পট্রোলার জিএম আবু সাঈদ, সহকারী প্রোগ্রামার ওমর ফারুক, সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার মেহেদী হাসান রাজন, অফিস সহায়ক সত্যজিৎ কুমার দত্ত।
জানা গেছে, বরখাস্ত নয় জনের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে বাধা প্রদান, বিভিন্ন সময়ে সাধারণ ছাত্র-শিক্ষক নির্যাতনে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত হওয়া, সক্রিয়ভাবে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারে যুক্ত থাকা এবং অবৈধ উপায়ে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের তদন্তে ‘খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৩’-এর ৪৪ (৫) ধারা ভঙ্গের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। ২১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৪তম সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।









