সব প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আজ রবিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে কালীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন। নির্বাচনকে সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে ৬ জন ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া থাকছে র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির সার্বক্ষণিক টহল ব্যবস্থা।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, কালীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মোট ১৯টি কেন্দ্রের ১২০টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে। তাদের দৃষ্টিতে সব কয়টি ভোটকেন্দ্রই ঝুকিপূর্ণ। এজন্য নির্বাচনে সার্বক্ষণিক র্যাব,পুলিশ ও বিজিবির টহল ছাড়াও থাকছে প্রতি ৩টি ওয়ার্ডের জন্য একজন করে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স। এছাড়া প্রত্যেক ওয়ার্ডে চারটি মোটরসাইকেলে পুলিশের আটজন সদস্য টহলের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন।
নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হচ্ছেন আলহাজ মকছেদ আলী (আওয়ামী লীগ-নৌকা), মাসুদুর রহমান মন্টু (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী- নারিকেল গাছ), আতিয়ার রহমান (বিএনপি-ধানের শীষ), আশরাফুজ্জামান লাল (বিএনপির বিদ্রোহী- কম্পিউটার) ও নুরুল ইসলাম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- হাতপাখা)।
নির্বাচনে সংরিক্ষত আসনের কাউন্সিলর পদে ১২ জন ও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে ১নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৩ জন, ২ নং ওয়ার্ডে ৩ জন, ৩ নং ওয়ার্ডে ৬ জন।
এছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১ নং ওয়ার্ডে ৪ জন, ২ নং ওয়ার্ডে ৪ জন, ৩ নং ওয়ার্ডে ৬ জন, ৪ নং ওয়ার্ডে ৫ জন, ৬ নং ওয়ার্ডে ৬ জন, ৭ নং ওয়ার্ডে ৯ জন, ৮ নং ওয়ার্ডে ৫ জন, ৯ ওয়ার্ডে ৫ জন।
নির্বাচনে ৫ নং ওয়ার্ডে আশরাফুল আলম আশরাফ নামের এক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, কালীগঞ্জ পৌরসভা ১৯৯০ সালের ১৪ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে মোট ভোটারের সংখ্যা ৩৭ হাজার ১০৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৮ হাজার ৬৩০ জন ও মহিলা ১৮ হাজার ৪৭৩ জন। নয়টি ওয়ার্ড নিয়ে পৌরসভাটি গঠিত।
মোট ১৯টি ভোটকেন্দ্রের ১২০টি বুথে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় নির্বাচনে ৬ জন ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াও সার্বক্ষণিক টহলের জন্য রয়েছেন র্যাব, পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা।
/এমপি/







