নাইক্ষ্যংছড়ি-১১ বিজিবির টহল দলের ওপর চোরাকারবারিদের হামলায় তিন জন আহত হয়েছেন।
বিজিবি জানায়, রবিবার রাতে মিয়ানমার সীমান্তে চোরাচালানের গরু জব্দ করতে বিজিবি টহল দিচ্ছিল। রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ ছালামিপাড়া এলাকায় সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি ও স্থানীয় সহযোগীসহ ২০-২৫ জন দেশি অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে বিজিবির টহল দলের ওপর অতর্কিত হামলা করে। এতে টহল দলের সবাই কমবেশি আহত এবং তিন জন সদস্য গুরুতর আহত হন।
এ সময় টহল দল আত্মরক্ষার্থে ফাঁকা গুলি করতে বাধ্য হলে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায় এবং এক চোরাকারবারি আহত হয়। আহত বিজিবি সদস্যদের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। গুরুতর আহত বিজিবির তিন সদস্যকে এবং আহত এক চোরাকারবারিকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসকেএম কফিল উদ্দিন কায়েস বলেন, ‘আমাদের সদস্যরা সীমান্তে গরু চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছেন। শনিবার রাতে সংঘবদ্ধ একদল চোরাকারবারি বিজিবির টহল দলের ওপর হামলা চালালে আত্মরক্ষার্থে সদস্যরা লাঠিচার্জ এবং এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।’
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসরুরুল হক বলেন, ‘এ ঘটনায় ১১ বিজিবির পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
বিজিবি জানান, মিয়ানমার থেকে আসা গরু চোরাচালানের বিরুদ্ধে গত কয়েক মাস ধরে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ইতোমধ্যে বিজিবি অভিযান চালিয়ে এক হাজারের মতো গরু আটক করেছে বিভিন্ন সময়ে। আটককৃত গরুর সমমূল্য ৯ কোটি টাকার রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে।









