আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছয়টি নির্বাচনি আসনে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দ করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। প্রতীক বরাদ্দকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে দলীয় প্রার্থীদের পাশাপাশি নির্দলীয় প্রার্থীরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এসে জড়ো হয়।
পরে পছন্দের প্রতীক পেয়ে প্রার্থী ও সমর্থকরা আনন্দ-উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। কেউ কেউ প্রতীকের পক্ষে আনন্দ মিছিল করেন। তাদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আলোচিত নারীনেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা পেয়েছেন তার পছন্দের হাঁস প্রতীক। এ সময় তার সমর্থকরা উল্লাসে মেতে ওঠেন।
এ সময় রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার যারা ভোটার কর্মী সমর্থক, আমি আমার প্রাণের চেয়েও তাদের বেশি ভালোবাসি। আজকে আমাকে এ পর্যন্ত তারাই নিয়ে এসেছেন। তাদের ভালোবাসা নিয়ে এসেছে। আমাকে দেখে ছোট ছোট বাচ্চারা চিৎকার করতে থাকে– বলে, “আমাদের হাঁস মার্কা।” এই মার্কাটা আমার ভোটারদের মার্কা, এটা আমার মার্কা না।
‘আমার হাঁসগুলো যখন চুরি হয়, আমি কিন্তু চোরকে ছাড়িনি, আমি মামলা করছি। জেলেও ভরেছি। আমার এই হাসঁ যদি কেউ চুরি করার চিন্তাও করে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেবো। আমি আপনাদের প্রার্থী, আমি কোনও দলের প্রার্থী না। আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-এর সাধারণ মানুষের প্রার্থী। আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, আপনারা যা বলবেন যেভাবে বলবেন, আমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-এর উন্নয়ন সেভাবে করবো।’
এদিকে, ধানের শীষ প্রতীক পাওয়ার পর জেলা বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল বলেন, ‘আমাদের সেই কাঙ্ক্ষিত ইলেকশনের যাত্রা আজকে থেকে অফিসিয়ালি শুরু হবে। আপনারা জানেন, আমরা প্রায় দীর্ঘ ১৭ বছর পরে গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের যে কমিটমেন্ট, সেই কমিটমেন্টের সমাপনী হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে। আমরা মনে করি, এই নির্বাচন সারা বাংলাদেশের মানুষের একটি কাঙ্ক্ষিত নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে এবং সেই গণতন্ত্রের একজন সহযোদ্ধা হিসেবে আমি নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করছি।’
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি যে, এই নির্বাচনে আমাদের মাননীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সুন্দর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ স্বনির্ভর বাংলাদেশ আমরা জাতিকে উপহার দেবো।’








