ভারতের নয়াদিল্লির মালভিয়া নগরে আবাসিক হোটেলে আগুনের ঘটনায় এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। নূরুল আমিন সোহাগ (৪৭) নামে ওই ব্যক্তি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গীশ্বর গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে।
শুক্রবার সোহাগের আত্মীয় হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী জানান, ছোট বোন ও ভগ্নিপতিকে নিয়ে নয়াদিল্লিতে চিকিৎসার জন্য গিয়ে ওই হোটেলে উঠেছিলেন সোহাগ। আগুনে তার ছোট বোন ও ভগ্নিপতিও মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোহাগের মৃত্যু হয়। বোন ও ভগ্নিপতির অবস্থাও সংকটাপন্ন।
নয়াদিল্লির বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, নিহত নূরুল আমিন সোহাগের মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যাপারে সব ধরনের সহায়তা করা হবে।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেই পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। ইতোমধ্যে লাশ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে। আমাদের পক্ষ থেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।’
বুধবার সকালে মালভিয়া নগরের ওই হোটেলে আগুন লাগে। এ ঘটনায় আহত আট বাংলাদেশির মধ্যে তিন জনের অবস্থা গুরুতর ছিল। বৃহস্পতিবার আহত নুরুল আমিনের মৃত্যু হয়। রাতে ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন। এ নিয়ে আগুনে বাংলাদেশের একজনসহ বিভিন্ন দেশের মোট ২২ জনের মৃত্যু হলো।









