নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাচানী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- হামিদ গ্রুপের সুমন, জেলে দিদার, জেলে মনিরসহ সাত জন এবং রাসেল গ্রুপের সোহাগসহ পাঁচ জন। তাদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পিরোজপুর ইউনিয়নের পাচানী এলাকায় হামিদ গ্রুপ ও রাসেল গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বৃহস্পতিবার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে শুক্রবার সকালে রাসেল গ্রুপের সদস্যরা দেশি অস্ত্র নিয়ে হামিদ গ্রুপের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। পরে হামিদ গ্রুপের সদস্যরা একত্র হয়ে পাল্টা হামলা করলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে হামিদ গ্রুপের সুমন, জেলে দিদার, জেলে মনিরসহ সাত জন আহত হন। অপরদিকে রাসেল গ্রুপের সোহাগসহ পাঁচ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ঘটনায় হামিদ গ্রুপের হামিদ ও রাসেল গ্রুপের রাসেলের ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এ ঘটনায় কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি।’
সংঘর্ষে আহতের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে কতজন আহত হয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব না। অভিযোগ পেলে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।’









