আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর বাউফলে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে এক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার (২১ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের নগরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. রফিক হাওলাদার (৪৫)। তিনি নওমালা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য ছিলেন। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে ৭ জনকে আটক করেছে বাউফল থানা পুলিশ। এছাড়া সংঘর্ষে আহতদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আটককৃতরা হলেন ফয়সাল মৃধা (২৫), ফয়েজ বিশ্বাস (২৫), মো. নাঈম (১৫), হুমায়ুন কবির (২১), আল আমিন (৩০), সোহরাব মৃধা (৫৫) ও সাইফুল ইসলাম। এরা সবাই প্রতিপক্ষ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল বিশ্বাসের সমর্থক বলে নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন।
ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নগরহাটের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন জানান, নওমালা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. শাহজাদা হাওলাদারের লোকজন কয়েকদিন আগে প্রতিপক্ষ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল বিশ্বাসের সমর্থক কাবিলাকে কুপিয়ে আহত করে। এ ঘটনার পর চেয়ারম্যান শাহাজাদা ও তার সহযোগীরা এলাকার বাইরে ছিলেন। শনিবার দুপুরে চেয়ারম্যান শাহাজাদা তার দলবল নিয়ে এলাকায় যাচ্ছিলেন। তারা নওমালা ইউনিয়নের নগরহাট এলাকায় পৌঁছালে কামাল বিশ্বাসের লোকজন পিছন থেকে ধাওয়া দিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। তখন উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
তিনি আরও জানান, ওই সময় ইটের আঘাতে শাহাজাদার সমর্থক ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য রফিক হাওলাদার আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। ঘটনার পর ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।








