বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার চিন্তা বাংলাদেশকে বিশ্বের এক নম্বর দেশ করা। তিনি ১৬ জন আপন লোককে হারিয়েছেন। তারপরও তিনি বাংলাদেশের মানুষকে ভালোবাসেন। তার সব সময় চিন্তা বাংলার মানুষকে নিয়ে। শেখ হাসিনা একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ। তিনি ফজরের নামাজ পড়ে কোরান তেলাওয়াত করেন। তারপর দিনের কাজ শুরু করেন। মঙ্গলবার পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় এক সুধী সমাবেশে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দক্ষিণাঞ্চলকে এখন উন্নত করতে হাবে। কলকারখানা করা হলে আগামী ১০ বছরে দক্ষিণাঞ্চলে বিদ্যুতের চাহিদা হবে ২০ হাজার মেগাওয়াট। এ অঞ্চলের মানুষ নিজের ওপর আস্থাশীল ও কর্মমুখী। তারা প্রত্যেকে কিছু না কিছু করতে চায়।
মন্ত্রী বলেন, ‘আগে সন্ধ্যা হলেই মানুষ ঘুমিয়ে যেত। এখন বিদ্যুৎ সুবিধার কারণে মানুষের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। মানুষের কাজের সুযোগ বেড়েছে।’
তিনি ভাণ্ডারিয়া আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির সহ-অবস্থান দেখে বলেন, ‘এ রকম অবস্থা দেশের অন্য কোথাও নেই। আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর মতো মানুষের সঠিক নেতৃত্বের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে।’
নসরুল হামিদ বলেন, ‘সামনেই নির্বাচন। এ নির্বাচনে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। আনোয়ার হোসেন মঞ্জু তার নিজের এলাকাকে ভালোবাসেন। এলাকায় কোনও কিছুর প্রয়োজন হলে তিনি নিজেই কোন দফতরে চলে যান। এ রকম আমার দফতরেও একদিন চলে এসেছিলেন। আমি লজ্জায় বসতে পারিনি।’ এ সময় তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে আবারও ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে সড়ক যোগাযোগের যত উন্নয়ন, তা আনোয়ার হোসেন মঞ্জু যোগাযোগমন্ত্রী থাকাকালে তার হাতে হয়েছে এটা স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও স্বীকার করেন এবং বলেন।
ধাওয়া রাজপাশা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাংসদ ও পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, পিরোজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সদস্য (বিতরণ) মোস্তফা কামাল।
প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এর আগে ভাণ্ডারিয়া পৌঁছে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নে ভাণ্ডারিয়া-২, ১০এমভিএ৩৩/১১ কেভি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন। উপকেন্দ্রটি নির্মাণে প্রায় ৫ কেটি টাকা ব্যয় হবে। ২০১৯ সালের জুন মাসে এটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে। ১৫ হাজার গ্রাহক এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সুবিধা পাবেন।








