ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে পিরোজপুরে শুক্রবার (৩ মে) রাত থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সঙ্গে রয়েছে ঝড়ো হাওয়া। শুক্রবার বিকাল থেকেই পিরোজপুরের বিভিন্ন উপজেলার থাকা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় লোকজন এসে আশ্রয় নিয়েছে। এদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জি এম সরফরাজ জানান, বড়মাছুয়া,আমড়াগাছিয়া শাপলেজা বেতমোর ও গুলিশাখালী ইউনিয়নের আশ্রয়কেন্দ্রের লোকজনের মাঝে চিড়া,মুড়ি গুড় ও মোমবাতি বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, তিনি নিজ হাতে বড়মাছুয়া আশ্রয়কেন্দ্রের লোকজনের শুকনো খাবার ও মোমবাতি বিতরণ করেছেন। অন্য আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় থাকা লোকজনের মাঝে ইউপি চেয়ারম্যানরা শুকনো খাবার, মোমবাতি ও বিতরণ করেছেন।
শাপলেজা ইউপি চেয়ারম্যান মিরাজ মিয়া জানান, একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বেড়ি বাঁধের কাজ ফেলে যাওয়ার কারণে ইউনিয়নের কচুবাড়িয়ায় পানি ঢুকছে। এতে খেতাচিড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
পিরোজপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পিরোজপুর জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ জানান, দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য রেডক্রিসেন্টের কর্মী বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া দুর্যোগ মোকাবিলা করতে জেলা পরিষদের সদস্য ও কর্মকর্তাদের নিয়ে সভা করা হয়েছে।
ভান্ডারিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম জানান, উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়গুলোতে থাকা লোকজনের মাঝে তিনি তার ব্যক্তিগতভাবে শুকনো খাবার ও মোমবাতি বিতরণ করেছেন।
জেলা প্রশাসক আবু আলী সাজ্জাদ হোসেন জানান, ৬৫টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি জেলাসহ ৭টি উপজেলায় ৮টি নিয়ন্ত্রন কক্ষ খোলা হয়েছে এবং প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২২২ টি সাইক্লোন শেল্টার।







