ঢাকায় বেড়াতে গিয়ে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে এসে ঝালকঠির এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে। তার নাম নিগার সুলতানা। রবিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে বরিশাল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। সেখানকার চিকিৎসকদের ধারণা তিনি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
জানতে চাইলে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার বেল্লাল হোসেন বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ধারণা করেই তাকে দ্রুত বরিশাল রেফার্ড করা হয়েছিল।’
নিগার সুলতানা ঝালকাঠির রাজাপুরের দক্ষিণ তারাবুনিয়া গ্রামের শাহজাহান মৃধার মেয়ে ও কাউখালি উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের শামসু উদ্দিন খানের স্ত্রী।
নিগারের স্বামী শামসু উদ্দিন খান জানান, ঢাকার ধানমন্ডিতে বাসায় বুধবার (২৪ জুলাই) সামান্য জ্বর অনুভব করলে বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) রাতে গ্রামের বাবার বাড়িতে চলে আসেন। এরপর জ্বর বাড়লে শুক্রবার (২৬ জুলাই) ভান্ডারিয়ার ডাক্তার সৌরেন্দ্র নাথ সাহার কাছে গেলে তাকে অ্যান্টিবায়োটিকসহ তিন প্রকারের ওষুধ দেন এবং রক্ত পরীক্ষা করাতে বলেন। পরে শনিবার (২৭ জুলাই) রাতে জ্বরের মাত্রা বেড়ে গেলে রবিবার (২৮ জুলাই) সকালে ভান্ডারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক তার ডেঙ্গু আক্রাস্ত হয়েছে ধারণা করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বরিশাল নেওয়ার পথে নিগার সুলতানা অচেতন হয়ে যান। দুপুরের দিকে বরিশাল শেবাচিমে নিলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
নিগার দক্ষিণ তারাবুনিয়া গ্রামের সৈয়দবাড়ি আলবিরুনী কিন্ডারগার্টেনের সিনিয়র শিক্ষক।








