বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের কাকরাধারী গ্রামে ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছে আসামির সহযোগীরা। এ সময় হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৪ জন আহত হওয়ার ঘটনায় নামধারী ৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে আহত থানার এসআই নিজামউদ্দিন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারভূক্ত আসামিরা হলেন-গুঠিয়া এলাকার বাসিন্দা নারী নির্যাতন মামলার আসামি সহোদর সুমন রাঢ়ি ও সুজন রাঢ়ি, সবুজ, সোহেল, আনোয়ার ও রুবেলসহ ৮ জন। এদের মধ্যে শুক্রবার দুপুরে রুবেলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে আসামি ও তাদের সহযোগীদের হামলায় আহত এসআই নিজামুদ্দিন ও এএসআই নুরুল ইসলামসহ স্থানীয় দুই ব্যক্তিকে উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি জিয়াউল আহসান জানান, গত মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার গুঠিয়া আইডিয়াল কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি এবং ধর্ষণের চেষ্টা করে সহোদর বখাটে সুমন রাঢ়ি ও সুজন রাঢ়ি। এ ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বুধবার উজিরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার রাতে গুঠিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছত্তার মোল্লা ও তার সহযোগী শাহ আলম সরদার শিক্ষার্থীর পরিবারকে চাপ দিয়ে সালিশে বসতে বাধ্য করেন।
শিক্ষার্থীর পরিবার থেকে এ খবর দেওয়ার পর সেখানে পুলিশ গিয়ে ওই সহোদরকে গ্রেফতার করে থানায় নেওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা করে আসামিদের ছিনিয়ে নেয় সালিশের আয়োজকরা। হামলায় পুলিশের দুই পুলিশ সদস্য এবং স্থানীয় দুই ব্যক্তি আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় নামধারী এবং অজ্ঞাতসহ ২০ জনকে আসামি করে আহত এসআই নিজামুদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এজাহারভূক্ত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান চলছে।








