বরিশাল সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউনিয়নের কুন্দিয়ালাপাড়া এলাকায় হামলা থেকে স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত নাছিমা বেগম (৪৫) শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
শনিবার রাত ৯টায় তার মরদেহ মর্গে প্রেরণ করা হয়। সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া নাছিমা ওই গ্রামের ইনসান শরীফের স্ত্রী। আহত ইনসানও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে হামলাকারী রুশিয়া বেগমকে আটক করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশ।
চিকিৎসাধীন ইনসান শরীফ জানান, গত ২৯ ডিসেম্বর তার একটি মুরগ কে বা কারা মেরে ফেলে। তিনি ধারণা করেন, তার বড় ভাই সুলতান শরীফ ও তার ছেলেরা এ কাজ করতে পারে। এ জন্য সন্ধ্যায় বিষয়টি তার বড় ভাইকে জিজ্ঞাসা করেন। এ নিয়ে তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর ঘরে ফিরে যান ইনসান।
রাতে আকস্মিকভাবে সুলতান, তার স্ত্রী রুশিয়া এবং তিন ছেলে জাকির, জলিল ও রাসেলসহ ৭/৮ জন লাঠিসোটা দিয়ে উঠানে থাকা ইনসানকে বেদম মারধর করে। এ সময় তার ছেলে নাইম রক্ষা করতে গেলে তাকেও বেদম মারধর করা হয়। স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে নাছিমা এগিয়ে এলে তাকে গাছের কচা দিয়ে পিটায় হামলাকারীরা। এক পর্যায়ে নাছিমা মাটিয়ে লুটিয়ে পড়লে তার বুকের উপর উঠে পা দিয়ে আঘাতে পর আঘাত করে।
পরে ইনসান ও তার স্ত্রী, সন্তান নাইমসহ তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহত নাইমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ইনসান আরও জানান, এ ঘটনায় তিনি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করবেন।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন তালুকদার বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হলে কিছুই বলা যাচ্ছে না।









