বরিশাল সদর উপজেলার এক ইউনিয়নের নির্বাচিত মহিলা সদস্যের (মেম্বার) মেয়েকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বুধবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সালিশি বৈঠকের কথা বলে বরিশালের কোতোয়ালি মডেল থানায় ডেকে এনে সাজ্জাদকে গ্রেফতার করা হয়। সাজ্জাদ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পিওএম শাখায় কর্মরত আছেন।
এর আগে বুধবার সকালে এ পুলিশ কনস্টেবলকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন ভুক্তভোগীর মা।
মামলার বাদীর অভিযোগ, ‘গত ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে আসামি ওই ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে ডিউটিতে ছিল। এ সময় আমার মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে মোবাইল নম্বর নিয়ে আসে অভিযুক্ত এবং প্রায়ই কথা বলতো। ১৪ নভেম্বর ভুক্তভোগীর সঙ্গে দেখা করে জন্য সাজ্জাদ অনুরোধ করে। দেখা করার পর বিয়ের আশ্বাসে নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এরপর থেকে সাজ্জাদ সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। সাজ্জাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানায়, তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। কোনোভাবেই তার পক্ষে বিয়ে করা সম্ভব নয়।’
সাজ্জাদ বিয়েতে রাজি না হওয়ায় বাদী বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেন। তারা আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ী মামলা করেন। আজ সন্ধ্যায় সালিশির কথা বলে সাজ্জাদকে থানায় ডেকে এনে গ্রেফতার করা হয়।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আজিমুল করিম জানান, ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামি সাজ্জাদকে ডেকে এনে ওই মামলায় গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।









