স্ত্রীকে মারধরে বাধা দেওয়ায় শাশুড়ি হাসিনা বেগমকে (৪০) পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মেয়ে জামাই মো. রনি ফকিরের বিরুদ্ধে। হাসিনা বেগম বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের সংঙ্করপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. রনি ফকির পটুয়াখালী সদর উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া গ্রামের নিজাম ফকিরের ছেলে।
নির্যাতনের শিকার হাসিনা বেগম বলেন, বড় একটা লাঠি দিয়ে আমার মেয়ে লামিয়াকে মারধর শুরু করে জামাই মো. রনি ফকির। এ সময় আমি গিয়ে বাধা দিলে লামিয়া দৌড়ে চলে যায়। এ সময় মেয়েকে না পেয়ে আমাকে মারধর করেছে জামাই রনি। পরে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে আমাকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে।
তিনি আরও বলেন, আট মাস আগে রনির সঙ্গে আমার মেয়ে লামিয়া বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর নতুন বাড়ি করার জন্য আমাদের কাছে জায়গা দাবি করে রনি। বাড়ি করার জায়গা দিতে না পারায় আমার মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকে।
পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, ওই নারীর মাথা কেটে গেছে। শরীরেও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. রনি ফকির মারধরের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। রেইনট্রি গাছের লাঠি দিয়ে আমার স্ত্রীকে মারতে গিয়েছি। এ সময় লাঠি ভেঙে শাশুড়ির শরীরে আঘাত লাগে। ইচ্ছে করে তাকে মারিনি।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।









