আশ্রয়কেন্দ্রে নির্ঘুম রাত, ঘরবাড়ি নিয়ে দুশ্চিন্তা

ইবরাহীম সোহেল, বরগুনা
২৭ মে ২০২৪, ০১:০২আপডেট : ২৭ মে ২০২৪, ০২:৫৬

বরগুনায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে রবিবার (২৬ মে) সন্ধ্যার পর থেকেই ভারী বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড়ে ভারী জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন উপকূলের বাসিন্দারা। এদিকে, সন্ধ্যার পর এই জেলার অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে গেলেও ঘরবাড়ি ছেড়ে যাননি অনেকেই। তবে আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়েও দুশ্চিন্তায় নির্ঘুম রাত কাটছে।

সন্ধ্যার পর থেকে বাতাসের গতিবেগ বাড়তে শুরু করেছে। বাতাসের সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টিপাতও বাড়ছে। ফলে উপকূলের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ৬৭৩ টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে ২০২টিতে ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে কতটি গ্রাম পানিতে প্লাবিত হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

বরগুনা সদর উপজেলার ৭ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের ডালভাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা শাহিন গরামীসহ একাধিক ব্যক্তি বলেন, রাত ১১টা থেকে জোয়ার শুরু হলে এখন আমাদের বেড়িবাঁধ (ওয়াবদা) রাস্তা তলিয়ে পানি ওঠা শুরু করেছে। এখন রাত ১২টা বাজে, আমরা কই যাবো? আমরা তো মনে করেছি, এই রাস্তা তলিয়ে পানি উঠবে না। এখন এই রাস্তা ছুটে গেলে সিডরের মতো আমাদের ঘরবাড়ি আবার ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। মাথা গোঁজার ঠাঁইও থাকবে না।

তারা আরও জানান, যদি এটা চলমান থাকে খুবই ভয়াবহ অবস্থা হবে আমাদের। কারণ বাতাসের সঙ্গে জোয়ারের সম্পর্ক রয়েছে। এতে বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।

এদিকে পাথরঘাটার বলেশ্বর ও বিষখালী নদীর পাড়ের বাসিন্দারা আশ্রয়কেন্দ্রে নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে ভিন্ন আতঙ্ক বিরাজ করছে কারণ বাড়িঘর রেখে তারা আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন।

পোটকাখালী আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মোবারক আলী বলেন, আমরা ঘরবাড়ি রেখে এখানে এসেছি। সারা রাত ঘুম আসবে না, পানি ঢুকলে বা বাতাস হলে কিছুই থাকবে না। এতক্ষণে মনে হয়, পানিতে সব তলিয়ে গেছে।

/এফআর/
সম্পর্কিত
ঘূর্ণিঝড় দানায় নোয়াখালী উপকূলে ‘রিমাল’ আতঙ্ক, থেমে থেমে বৃষ্টি
রিমাল-পরবর্তী নিষেধাজ্ঞা শেষে খুলছে সুন্দরবন
ঘূর্ণিঝড় রিমালের আঘাতের ২ মাস পরও উপকূলে হাহাকার
সর্বশেষ খবর
শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও জুতা বিতরণ
শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও জুতা বিতরণ
সেই কুমির ফেরত চান মাজারের খাদেম যুবদল নেতা
সেই কুমির ফেরত চান মাজারের খাদেম যুবদল নেতা
পিতার সৃজনকর্ম নিয়ে আলোচক যখন নুহাশ হুমায়ূন
পিতার সৃজনকর্ম নিয়ে আলোচক যখন নুহাশ হুমায়ূন
রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা: মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাস
ট্রাম্পকে বড় ধাক্কা: মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাস