চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাপস সরকার হত্যা মামলায় ছাত্রলীগের ২৯ নেতাকর্মীকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। সোমবার বিকালে চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আবু ইউসুফের আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই’র পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান।
অভিযোগপত্রে ২৯ জনকে আসামি এবং ৩২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে বলে আদালত পরিদর্শক মশিউর রহমান জানিয়েছেন।
২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে ফেরার সময় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগের ট্রেনের বগিভিত্তিক দুই সংগঠন ‘ভি-এক্স’ ও ‘সিএফসি’।
এ সময় শাহজালাল হল থেকে একপক্ষের ছোড়া গুলিতে আহত হন শাহ আমানত হলের সংস্কৃত বিভাগের তাপস সরকার। পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর সিএফসি গ্রুপের পক্ষ থেকে তাপসকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করা হয়। ঘটনার দুদিন পর তাপসের বন্ধু একই বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুল ইসলাম ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন।
গত বছরের ৫ আগস্ট মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দেওয়া হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, অভিযোগপত্রে ছাত্রলীগ নেতা আশরাফুজ্জামান আশাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে আসামির তালিকায় থাকা অন্যরাও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।
অভিযোগপত্রে রূপন বিশ্বাস নামে একজনকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনার আগেই রূপন ভারতে যান এবং তার কিছুদিন পর তিনি দেশে ফেরেন। ইমিগ্রেশন প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাকে অব্যাহতি দিতে সুপারিশ করা হয়েছে।
২৯ আসামির মধ্যে আশরাফুজ্জামান আশাসহ ১৫ জন পলাতক এবং ১৪ জন জামিনে আছেন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।
/বিটি/এএইচ/
আরও খবর পড়ুন-
রিজেন্টের ঢাকা-কলকাতা ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি, ঢাকায় ফের অবতরণ








