খাগড়াছড়িতে সোমবার শান্তিপূর্ণভাবে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল চলছে। সাত দফা দাবিতে হরতালের ডাক দিয়েছে পার্বত্য বাঙালি সংগ্রাম পরিষদ। দাবিগুলো হলো অপহরণ, হত্যা, অগ্নিসংযোগ,নানা ক্ষেত্রে প্রশাসনিক বৈষম্য ও পার্বত্য চট্রগ্রাম থেকে সব সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিলসহ ইউএনডিপির কার্যক্রম বন্ধ করা।
সকাল থেকে কোনও পিকেটিং দেখা যায়নি। এছাড়া খাগড়াছড়ি থেকে দূরপাল্লার কোনও যানবাহন ছেড়ে যায়নি। জেলা শহরের বেশিরভাগ দোকান-পাঠ বন্ধ আছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
গত ২৮ এপ্রিল পানছড়ির মোহাম্মদ হোসেন ও ২ মে মানিকছড়ির আল-আমিনকে উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা অপহরণ করেছে। কিন্তু এতোদিনেও প্রশাসন তাদের উদ্ধার করতে পারেনি। মানিকছড়িতে আব্দুল মতিনকে নৃশংসভাবে হত্যা এবং পরবর্তীতে তার বাড়ি-ঘরে অগ্নিসংযোগ করলেও প্রশাসন কার্যকর কোনও ব্যবস্থা না নেয়নি। বাঙালিদের স্থায়ী বাসিন্দার সনদ দেওয়াসহ জমি-জমা রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রেও জেলা প্রশাসন বৈষম্যমূলক আচরণ করে। এছাড়া ঢাকাস্থ বেইলি রোডে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স’ এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণের ক্ষেত্রেও বাঙালিদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ, এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে বাঙ্গালিদের সমতল ভূমিতে সরিয়ে নিতে ইউএনডিপির গোপন কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে খাগড়াছড়িতে শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল।
তবে অ্যাম্বুলেন্স, ফার্মেসি, সংবাদ পত্রের গাড়ি ও খাবার হোটেল হরতালের আওতামুক্ত থাকবে।
/জেবি/








