কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যার দুই মাস পূর্ণ হয়েছে আজ শুক্রবার। প্রথম ময়নাতদন্তে তনুকে ধর্ষণের আলামত না পাওয়া গেলেও ডিএনএ পরীক্ষায় তনুকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। প্রথম ময়নাতদন্তে হত্যার কারণ খুঁজে না পাওয়ায় ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তনুর বাবা ইয়ার হোসেন।
তনুর বাবা বলেন, ‘প্রথম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা কোনও তথ্য দিতে পারেননি। কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। আমি মনে করি এখানে চিকিৎসকরা অনিয়ম করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে সিআইডি যেনো আইনগত ব্যবস্থা নেয় সে দাবি জানাচ্ছি।’
তনু হত্যা মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা আইনের দিকে তাকিয়ে আছি। সিআইডি যে ডিএনএ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তাতে আমরা সন্তুষ্ট। ডিএনএ রিপোর্টে ৩ জন তনুকে ধর্ষণ করেছে বলে আলামত পাওয়া গেছে। তাতে মনে হচ্ছে আমরা ন্যায় বিচার পাবো।’
কুমিল্লা টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ বলেন, প্রধম ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা হত্যার স্থান পরিদর্শন করেছেন। সেখানে সম্ভবত তারা কোনও গোপন মিটিং করেছেন। তারপর থেকে তারা রহস্যজনক আচরণ করছেন। প্রথম ময়নাতদন্তে তারা কিছু না পেলেও ডিএনএতে ঠিকই ধর্ষণের আলামত মিলেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহা কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান। তবে শিগগিরই দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
এদিকে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করে ফোনে সিআইডি কুমিল্লার বিশেষ পুলিশ সুপার ড. নাজমুল করিম খান ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গাজী মো.ইব্রাহিমকে পাওয়া যায়নি।
প্রসঙ্গত, ২০মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাসের বাসার কাছে তনুর লাশ পাওয়া যায়। ২১ মার্চ তার প্রথম ময়নাতদন্ত করা হয়। পরে ৩০ মার্চ দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তনুল লাশ উত্তোলন করা হয়।
আরও পড়ুন: পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ
/এআর/এসটি/








