বান্দরবান পার্বত্য জেলায় দ্বিতীয় দিনের মতো অনির্দিষ্টকালের সড়ক ও নৌপথ অবরোধ পালন করছে জেলা আওয়ামী লীগ। সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি মেম্বার মংপ্রু মারমাকে অপহরণের প্রতিবাদে ও উদ্ধারের দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
সকাল থেকে বান্দরবানের অভ্যন্তরীণ ও দূর পাল্লার কোনও যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। নৌ-ঘাট থেকে ছেড়ে যায়নি কোনও নৌযান, ফলে যাত্রীরা পড়েছে চরম ভোগান্তিতে। বান্দরবানের ট্রাফিক মোড়, বাস স্ট্রেশন, হিলবার্ড মোড়, ক্যায়ংয়ের মোড়সহ প্রধান সড়কগুলোতে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে পিকেটিং করে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা।
রমজান মাস উপলক্ষে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বেচাকেনা ও অফিস আদালতের কার্যক্রম ছিল স্বাভাবিক। অবরোধকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধকে কেন্দ্র করে কোনও অপ্রিতিকর ঘটনার সংবাদ পাওয়া যায়নি। জেলার ৭টি উপজেলার মধ্যে লামা, আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা অবরোধ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে বলে জানান আওয়ামীলীগ নেতারা।
গত সোমবার গভীর রাতে জেলার রাজবিলা ইউনিয়নের জামছড়ি মুখ পাড়া থেকে সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মংপ্রু মারমাকে অপহরণ করে সন্ত্রাসীরা। এই ঘটনার জন্য দায়ী করে আওয়ামী লীগ মঙ্গলবার রাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কয়েকজন শীর্ষ নেতাসহ ৩৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করে। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ এক জেএসএস নেতাকে গ্রেফতার করে।
আরও পড়ুন: প্রকাশক টুটুল হত্যাচেষ্টাকারী সন্দেহে গ্রেফতার ১
/জেবি/টিএন/আপ-এমও/







