কুমিল্লার লাকসামে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কর্নেল (অব.) এম.আনোয়ারুল আজিমসহ অর্ধশতাধিক দলীয় নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের অন্তত ১৫টি মোটরসাইকেল, দলীয় কার্যালয় ও ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানও ভাঙচুর করা হয়।
বুধবার বিকাল ৫ টার দিকে লাকসাম পৌর শহরের ফতেপুর ব্রিজ সংলগ্ন উপজেলা বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
লাকসাম উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ আলম জানান, তারা বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করছিলেন। এসময় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পৌর মেয়র আবুল খায়ের, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহব্বত আলী (স্থানীয় এমপি তাজুল ইসলামের শ্যালক), ছাত্রলীগ সভাপতি সিহাব খান, পৌর কাউন্সিলর আবদুল আলীম দিদারের নেতৃত্বে কয়েক শ’ আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসী তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলা চালিয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা সাবেক এমপি আনোয়ারুল আজিমকে আহত করে। এছাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা.নূর উল্লাহ রায়হান, যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন কবির, প্রচার সম্পাদক ইয়াসিন আলীসহ প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেছে। এসময় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর কয়েক রাউন্ড গুলিও ছোড়া হয় বলে জানান তিনি।
সাবেক এমপি কর্নেল (অব.) আনোয়ারুল আজিম বলেন, তারা কোনও রকমে প্রাণ নিয়ে বেঁচে এসেছেন। আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালিয়ে অর্ধশত নেতাকর্মীকে আহত করেছে। দলীয় কার্যালয়, যানবাহন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে।
লাকসাম উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও লাকসাম পৌরসভার মেয়র আবুল খায়ের বলেন, তাদের দলীয় কর্মসূচি ছিল। কিন্তু একই সময় বিএনপির কর্মসূচি এটা জানা ছিল না। তাই দুই দলের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে আওয়ামী লীগের ১০-১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
এ ব্যাপারে লাকসাম থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এখন পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আরও পড়ুন: হয় আমি থাকব নয় মাদক ব্যবসায়ীরা থাকবে: পুলিশ সুপার
/এআর/








