দিন কিংবা রাত, লোডশেডিংয়ের কাছ থেকে রেহাই নেই। দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলে তিন ঘণ্টা থাকে লোডশেডিং! গত একমাস ধরে লক্ষ্মীপুরে চলছে বিদ্যুতের এ বেহাল দশা। এ নিয়ে জনমনে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তবে লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বলছে, চাঁদপুরে গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
লক্ষ্মীপুরের ব্যবসায়ী অরুণ চন্দ্র অধিকারী, বাকের হোসেন প্রমুখরা জানান, গত ৩০ জুলাই থেকে ভোর ৫টার দিকে বিদ্যুৎ গিয়ে আসে সকাল ১১টায়। আধাঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলে তিন ঘণ্টা লোডশেডিং দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসায়ীরা বিপাকে রয়েছেন।
দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা নূরনবী মাস্টার জানান, প্রায় এক মাস ধরে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাহত হচ্ছে। লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে অতীতের মতো গ্রাহকেরা বিদ্যুতের জন্য আবারও রাস্তায় নেমে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে।
লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক রয়েছে দুই লাখ দশ হাজার। পিক আওয়ারে এখানে বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে প্রায় ৫০ মেগাওয়াট। কিন্তু বর্তমানে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৩ থেকে ২৭ মেগাওয়াট।
লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম শাহজাহান কবির জানান, চাঁদপুর কেন্দ্রে গ্যাস সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ থাকায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও চৌমুহনী-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক গ্রিডের ৩৩ হাজার কেবি সঞ্চালন লাইনে উন্নয়ন কাজ চলছে। চাঁদপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলে এ সমস্যার উন্নতি হবে।
/এমও/








