মাদকের অজুহাতে নিরীহ মানুষের ক্ষতি হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সেতুমন্ত্রী

ফেনী প্রতিনিধি
২৭ মে ২০১৮, ১৭:০৭আপডেট : ২৭ মে ২০১৮, ১৭:৩৮

মত বিনিময় সভায় সেতুমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘মাদকের অজুহাতে কোনও নিরীহ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ রবিবার দুপুরে ফেনী সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট নিরসনে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘পরস্পরকে ঘায়েল করাই হচ্ছে এ দেশের রাজনীতি। সরকার যত ভালো কাজই করুক না কেন, তাদের ভালো লাগবে না এটাই স্বাভাবিক। মাদকবিরোধী অভিযানে কোনও নিরীহ মানুষ মারা গেলে তার প্রমাণ দিন। দেশের মানুষ জানে তারা কত বড় বিপদে পড়েছে। মাদক দেশের শত্রু। সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত এ অভিযান চলবে।’ এর আগে মন্ত্রী ফতেহপুর রেল ওভারব্রিজের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘তিস্তা চুক্তি নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী যে আশ্বাস দিয়েছেন, সরকারের সেই আশ্বাসের প্রতি আস্থা আছে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। এই সম্পর্ক দুই দেশে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে ভূমিকা রাখবে।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘মিয়ানমার একদিকে রোহিঙ্গা পাঠাচ্ছে, অন্যদিকে ইয়াবার স্রোত পাঠাচ্ছে। দেশে ইয়াবা সুনামির মতো ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রাম, পাড়াম মহল্লা পর্যন্ত মাদক চলে গেছে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানে মানুষ খুশি। মানুষ জানে তারা কত বিপদে পড়েছে। মাদকের সঙ্গে অস্ত্র আসে। ড্রাগ সিন্ডিকেটের সঙ্গে অস্ত্র আছে। এখন তাদের নির্মূলে র‌্যাব-পুলিশ কি জুঁই ফুলের গান গাইবে?’

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানজট নিরসনের জন্য করণীয় নির্ধারণ বিষয়ক এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী সদরের এমপি নিজাম উদ্দিন হাজারী, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি জাহানারা বেগম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান, চট্টগ্রাম পুলিশের ডিআইজি মরিুজ্জামান, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের প্রতিনিধি, ফেনী পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার ইলিয়াছ শরিফ প্রমুখ।

/জেবি/চেক-এমওএফ/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে বিমানের ছয় হাজার কর্মীর ভাতা
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
পুলিশের পোশাকে ‘ধর্ষককে’ নেওয়া হলো থানায়, ১৩ দিনে আদালতে অভিযোগপত্র
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী