কক্সবাজারে টানা ভারী বর্ষণে ভূমি ধসের আশঙ্কায় পাহাড়ি এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিচ্ছে জেলা প্রশাসন। বুধবার (২৫ জুলাই) কক্সবাজারে পৃথক ঘটনায় পাঁচজন নিহত হওয়ার পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে আশ্রয়কেন্দ্র খুলে ওইসব লোকজনকে সরিয়ে আনার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। কক্সবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক কাজি আবদুর রহমান এই তথ্য জানান।
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আরও দুই দিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এ কারণে বেশি ঝুঁকিপুর্ণ পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারীদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’ বুধবার পাহাড় ধসে নিহত পরিবারগুলোকে নগদ ২০ হাজার করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘কক্সবাজার পৌরসভার ৬টি ওয়ার্ডে ৮৫১টি ঝূঁকিপূর্ণ পরিবার রয়েছে। পৌরসভার আওতাধীন এসব ঝূঁকিপূর্ণ পরিবারের লোকজনকে সরিয়ে আনার জন্য নির্বাচনের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংরক্ষিত রাখায় আপাতত লাইটহাউস কিন্ডার গার্টেনকে আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে। লোকজনকে সরিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নেতৃত্বে ছয়টি দল কাজ করছে। তাদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধি, এনজিওর লোকজনও রয়েছে।’
ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক বলেন, ‘বুধবার ভোরে পাহাড় শহরের রুমালিয়ারছড়ায় চার ভাইবোনের মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। এই রকম মৃত্যু কখনো কাম্য নয়। তাই বর্ষা আসার পর থেকে শহরের পাহাড়ি এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারি লোকজনকে নিরাপদে রাখতে বরাবরই জেলা প্রশাসনের প্রচেষ্টা রয়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টি শুরু হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়।’








