ফেনীর সোনাগাজীতে নিখোঁজের একদিন পর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিনের (৭০) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১৪ অক্টোবর) সকালে চরছান্দিয়া ইউপির তিন নম্বর ওয়ার্ডের একটি পুকুরে জাল ফেলে এলাকাবাসী তার লাশ উদ্ধার করে।
বিকালে মোহাম্মদপুরের গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। জানাজায় সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল পারভেজসহ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি নাছির উদ্দিন ও ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনসহ এলাকাবাসী অংশ নেন।
সোনাগাজী থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘শনিবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বাজারে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। তারপর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন বলে মুক্তিযোদ্ধার স্বজনরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তার সন্ধান পেতে এলাকায় মাইকিং,মডেল থানা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতাদেরকে পরিবারের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়। রবিবার সকালে নিহতের পরিবার পুলিশকে তার লাশ পাওয়ার বিষয় নিশ্চিত করে। একই সঙ্গে তারা ধারণা করছেন, বাজারে যাওয়ার পথে অসাবধানতাবশত পুকুরে পড়ে হয়তো তিনি পানিতে তলিয়ে যান।’
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সভাপতি নাছির উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রুহুল আমিন ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তান ইপিআরে ল্যান্সনায়েক পদে কর্মরত ছিলেন। পাক হানাদার বাহিনী মুক্তিকামী বাঙ্গালির ওপর নিধনযজ্ঞ শুরু করলে তিনি পালিয়ে গিয়ে ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীন হলে তিনি বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষা বাহিনী-বিডিআরে (বর্তমানে বিজিবি) যোগ দেন। ২৭ বছর চাকরি শেষে অবসর নেন। তিনি কয়েক বছর বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন।’







