কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মজিবুল হক ও কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি নজরুল ইসলামসহ মুরাদনগর উপজেলার ২৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং সড়ক-মহাসড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও নাশকতা করার চেষ্টার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মনজুর আলম।
আসামিদের মধ্যে মুরাদ নগর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক বাদশাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি রামধনী মোড়া গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে।
মামলার অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— উপজেলা বিএনপি নেতা তকদির হোসেন, ওমর আলী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহমুদুল হাছান, বিএনপি নেতা মাসুদ রানা, মাসুম মুন্সি, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হেদায়েত হোসেন, কায়কোবাদ ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জুবায়ের হোসেন, মনির হোসেন, জুয়েল প্রমুখ।
মামলা সূত্রে জানা যায়, রবিবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলা সদরের উত্তর পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে বিএনপির কিছু নেতাকর্মী সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র করছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে মুরাদনগর থানা পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়। এসময় বাদশাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মজিবুল হক বলেন, ‘কোনও ঘটনা ছাড়াই বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দায়ের করছে পুলিশ। সম্প্রতি ওই এলাকায় মিটিং-মিছিলের কোনও ঘটনা ঘটেনি। টার্গেট করে একের পর এক বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।’
ওসি এ কে এম মনজুর আলম বলেন, ‘নাশকতার অভিযোগে ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১২ জনকে আসামি করে এসআই রিপন কুমার দাস বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মুরাদ নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এদের মধ্যে বাদশা নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। সে একাধিক মমলার আসামি। তাকে মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) বিকালে কুমিল্লা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’








