সীতাকুণ্ডের মাদামবিবির হাট এলাকায় পেট্রোলবোমা হামলায় নৌকার তিন সমর্থক দগ্ধ হয়েছেন। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় আরও এক নৌকার সমর্থক আহত হন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার উপজেলার ৯ নম্বর ইউনিয়নের জাহানাবাদ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা এ ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করেছেন। তবে বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এদিকে দগ্ধ নেতাকর্মীদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ভর্তি করা হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দগ্ধ নেতাকর্মীরা আশঙ্কামুক্ত।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একই ঘটনায় আরও একজন রডের আঘাতে আহত হয়েছেন বলে তিনি জানান। আহতরা হলেন সাদ্দাম হোসেন (২৮), মো. রায়হান (২০) ও মো. তৈয়বুদ্দিন (২৮), আবু সালেহ সামুদ্দিন (৪২)।
পুলিশ কর্মকর্তা আলাউদ্দিন তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সীতাকুণ্ডে প্রতিপক্ষের পেট্রোলবোমা হামলায় তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। তারা সবাই নৌকার প্রার্থী দিদারুল আলমের অনুসারী। একই ঘটনায় আরও একজন রডের আঘাতে আহত হয়েছেন। দগ্ধ তিনজনকে হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।’
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘ধানের শীষের প্রার্থীর সমর্থকরা মিছিল নিয়ে যাওয়ার নৌকার সমর্থকদের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ধানের শীষের সমর্থকরা পেট্রোলবোমা ছুড়ে মারে।’
হামলার বিষয়ে জানতে নৌকার প্রার্থী দিদারুল আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
তবে সীতাকুণ্ডের ধানের শীষের প্রার্থী ইসহাক চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমার সমর্থকরা মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় নৌকার সমর্থকরা হামলা চালিয়েছে। এ সময় আমার এক সমর্থকের মুদি দোকানেও ভাঙচুর চালানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে উল্টো আমাদের নেতাকর্মীদেরই গ্রেফতারের চেষ্টা চালায়।’
এ বিষয়ে জানতে সীতাকুণ্ড থানার ওসি দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। ওসি (তদন্ত) ফোন রিসিভ করেননি।







