নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ৫নং চরজুবলী ইউনিয়নের মধ্য বাগ্যা গ্রামে গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনায় আরও দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গ্রেফতার কৃতরা হলেন, আসামি আবুল (৪০)ও মুরাদ (৩০)। এনিয়ে এই মামলায় এজাহারভুক্ত ৬ জন ও ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ৪ জনসহ মোট ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এজাহারভুক্ত ৬ জন হলো, বাদশা আলম ওরফে বাসু ওরফে কুড়াইল্যা বাসু, স্বপন, বেচু, সোহেল, সালাউদ্দিন ও আবুল এবং জড়িত থাকার অভিযোগে চারজন হলো, মূল ইন্ধনদাতা রুহুল আমিন, মূল হোতা হাসান আলী রুলু, জসিম ও মুরাদ।
তাদের মধ্যে বাদশা আলম ওরফে বাসু ওরফে কুড়াইল্যা বাসু, স্বপন, বেচু, সোহেল, মূল ইন্ধনদাতা রুহুল আমিন, মূল হোতা হাসান আলী রুলু ও জসিমকে ৫ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। আটককৃত আবুল হোসেন আবু মধ্য বাগ্যা গ্রামের সেরু মিয়া এবং মো মুরাদ মো. রফিকের ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চর জব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ইব্রাহিম খলিল জানান, রবিবার বিকাল ৫টায় চরজুবলী ইউনিয়নের আটকপালিয়া বাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় চর জব্বর থানা পুলিশ আবুলকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। এর আগে আটককৃত সাতজনের প্রত্যেকের ৭ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হলে, ২ নং আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নবমিতা গুহ তাদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
তিনি আরও জানান,মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশের গোয়েন্দা শাখার উপ-পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন জানান, পুলিশী তদন্তে নাম আসায় সন্ধ্যায় নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ছাতারপাইয়ার একটি ইটভাটা থেকে মুরাদকে গ্রেফতার করে। এর আগে শনিবার রাত ১২টায় ফেনী জেলার সদর উপজেলার সুলতানপুর গ্রাম থেকে এজাহারভুক্ত ৯ নম্বর আসামি সালাউদ্দিনকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বাকী আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।







