নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরজব্বর ইউনিয়নের উত্তর বাগ্যায় ছয় সন্তানের জননীকে (৩৫) সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ মামলার আরও এক আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। রবিবার (৭ এপ্রিল) জেলার ২নং আমলি আদালতে আসামি ফজলু আত্মসমর্পণ করেন। পরে আদালত তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এদিকে মামলার প্রধান আসামি বেচু মাঝিসহ চার আসামির রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। জেলার ২নং আমলি আদালতের বিচারক নবনীতা গুহ প্রধান আসামি বেচু মাঝির (৩৫) দুই দিন এবং রুবেল, রায়হান ও আরমানের এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীম খলিল এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মামলায় এ পর্যন্ত এজাহারভুক্ত আট আসামি গ্রেফতার অবস্থায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৩১ মার্চ সুবর্ণচর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের নির্বাচনে ধর্ষণের শিকার নারী ও তার স্বামী চশমা প্রতীকের প্রার্থী তাজ উদ্দিন বাবরের সমর্থনে ভোট করেন। সন্ধ্যায় তিনি ও তার স্বামী মোটরসাইকেলে চরবাগ্যা গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পথে তালা প্রতীকের প্রার্থী নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ হোসেন বাহারের সমর্থক ইউসুফ মাঝির নেতৃত্বে ১০-১২ জন উত্তর বাগ্যা গ্রামের রুহুল আমিনের মৎস্য খামারের কাছে তাদের মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে মারধর করে। এ সময় বেচু মাঝি, বজলু ও আবুল বাশার ওই নারীকে মৎস্য খামারের পাশের কলাবাগানে নিয়ে মারধরের পর ধর্ষণ করে। পরে তার স্বামীর চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এসে তাদের উদ্ধার এবং রাতেই হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। ঘটনার পরের দিন নির্যাতিতার স্বামী আটজনের নাম উল্লেখসহ মোট ১২ জনকে আসামি করে চরজব্বর থানায় মামলা দায়ের করেন।







